বাংলাদেশ, নিরাপত্তা, ডিজিএফআই, সামরিক গোয়েন্দা
राजनीति

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর, যা সাধারণত ডিজিএফআই (Directorate General of Forces Intelligence) নামে পরিচিত, দেশের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিজিএফআইয়ের প্রধান কার্যালয় ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এবং এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।

ইতিহাস

ডিজিএফআই ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন এর নাম ছিল ডিরেক্টরেট অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিএফআই)। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের অধীনে এই সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংস্থাটির কাঠামোগত পরিবর্তন করেন এবং এর নাম পরিবর্তন করে ডিজিএফআই রাখা হয়।

কার্যক্রম ও দায়িত্ব

ডিজিএফআইয়ের মূল দায়িত্ব হলো দেশের সামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন ধরনের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা। এটি বিশেষ করে:

  1. সামরিক গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করা
  2. জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করা
  3. অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদ ও অপরাধ প্রতিরোধে সহায়তা করা
  4. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা

ডিজিএফআইয়ের একটি বিশেষ ইউনিট হলো কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (সিটিআইবি), যা ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ইউনিটটি সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যক্রমে বিশেষভাবে সক্রিয়।

নেতৃত্ব

বর্তমানে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হিসেবে মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সংস্থার কার্যক্রম ও নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

উপসংহার

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা কার্যক্রমের একটি মূল স্তম্ভ। এটি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিজিএফআইয়ের কার্যক্রম দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।


30 0

Comments
Generating...

To comment on The Lineweaver-Burk Plot: Km and Vmax, please:

Log In Sign-up

Chewing...

Now Playing: ...
Install the FoxGum App for a better experience.
Share:
Scan to Share